সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২

সিএমপির কোতোয়ালীর সন্ত্রাসাী তালিকায় বক্কর-খাজাসহ ৪৪ জনের নাম

প্রকাশিত: শুক্রবার, মে ২১, ২০২১

সিএমপি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট:


সম্প্রতি নগরীর শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকা তৈরি করেছে নগর পুলিশ। আর এ তালিকা নিয়ে রয়েছে নানা সমালোচনা। রাজনৈতিক নেতারা বলছেন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চরিত্র হনন করার জন্য সন্ত্রাসী তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে প্রশাসন।


সিএমপির তৈরি করা তালিকায় কোতোয়ালী থানা এলাকার ৪৪ জনের নাম রয়েছে। তার মধ্যে নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্করসহ রয়েছে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত বেশিরভাগ নেতার নাম।


তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খানের নাম। তার বিরুদ্ধে দেখানো হয়েছে ১৯ টি মামলা, যার সকটি এখনো বিচারধীন ও তাকে জামিনে দেখানো হয়েছে। তবে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় দেখানো হয়নি।


এরপর যথাক্রমে আছে সিআরবি ডাবল মার্ডারের আসামী অজিত বিশ্বাস। তার বিরুদ্ধে দেখানো হয়েছে চারটি মামলা, যা বিচারাধীন রয়েছে তবে তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে। ১০ টি মামলার আসামী জাহেদ প্রকাশ পিচ্চি জাহেদ। তার মামলা সব বিচারাধীন ও তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে। এক মামলার আসামী মুন্না খান, তার মামলাটি বিচারাধীন ও তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে। কোতোয়ালী থানায় দায়ের হওয়া ৬ মামলার আসামী সোহেল আলম প্রকাশ রাজু প্রকাশ সন্ত্রাসী সোহেল। নগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া ৯ মামলার আসামী রাজীব দত্ত প্রকাশ রিংকু। কোতোয়ালী থানায় দায়ের হওয়া দুই মামলার আসামী জসিম উদ্দীন প্রকাশ বোমা জসিম।


তালিকায় ৮ নম্বরে রয়েছেন কোতোয়ালী থানার ৬ মামলার আসামী শওকত আজম খাজা। তার রাজনৈতিক পরিচয় দেখানো হয়নি। তবে খাজা স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি। কোতোয়ালী থানার ১৭ মামলার আসামী শফি মোস্তাফা প্রকাশ মোস্তাফা। এক মামলার আসামী হাবিব প্রকাশ রাশেদ। কোতোয়ালী থানার তিন মামলার আসামী আওলাদ হোসেন প্রকাশ বাচাইয়া প্রকাশ মুন্না। কোতোয়ালী থানার ৯ মামলার আসামী একরামুল হক প্রকাশ ছোট্টু। কোতোয়ালী থানার ৪ মামলার আসামী মো. হানিফ। কোতোয়ালী থানার ১মামলার আসামী আবদুল মমিন প্রকাশ জনি। কোতোয়ালী থানার ৭ মামলার আসামী আনিসুল হক প্রকাশ রাসেল। বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া ১৬ মামলার আসামী ইদু মিয়া প্রকাশ হাত কাটা ইদু।


এরপর আছেন এনায়েত বাজার ওয়ার্ডের বিএনপির দলীয় সাবেক কাউন্সিলর আবদুল মালেকের দুই পুত্র ৯ মামলার আসামী সোনা মানিক ও তার ভাই ৮ মামলার আসামী আবদুল আল ফরহাদ প্রকাশ জেকি। তারা দুইজনই বিএনপির সংগঠন ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত। চার মামলার আসামী সাইফুল। ৮ মামলার আসামী হাসান। ১২ মামলার আসামী রুহুল আমিন। ২ মামলার আসামী হাবিব। ২ মামলার আসামী ইসহাক। ২ মামলার আসামী আনোয়ার। ১ মামলার আসামী শিমুল। ৯ মামলার আসামী এনামুল হক রাজু। ৮ মামলার আসামী কামাল উদ্দিন। ২০ মামলার আসামী জালাল উদ্দিন প্রকাশ জইল্যা। ১৩ মামলার আসামী জসিম উদ্দীন প্রকাশ কালু। ১৪ মামলার আসামী তুহিন। তিন মামলার আসামী আমিন উল্লাহ।


তালিকায় ৩২ নাম্বারে রয়েছেন ৯ মামলার আসামী নগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর। তার মামলা গুলো বর্তমানে বিচারধীন ও তাকে জামিনে দেখানো হয়েছে। ৯ মামলার আসামী সেলিম। তার মামলা বিচারধীন ও তাকে জামিনে দেখানো হয়েছে। ১২ মামলার আসামী আবুল তাহের প্রকাশ দিদারুল আলম প্রকাশ মাসুম। তার মামলাগুলো বিচারধীন ও তাকে হাজতে দেখানো হয়েছে। ৬ মামলার আসামী জাহিদ প্রকাশ কালা জাহিদ। তাকে হাজতে দেখানো হয়েছে এবং তার মামলা বিচারধীন রয়েছে। চার মামলার আসামী আলী হোসেন। তার মামলাগুলো বিচারাধীন ও তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে। ১ মামলার আসামী মিজানুর রহমান, তার মামলাটি বিচারাধীন থাকলেও তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

১৪ মামলার আসামী মহিউদ্দীন। তার মামলাগুলো বিচারাধীন ও তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে। ৬ মামলার আসামী আবির সেন প্রকাশ আবির সেনগুপ্ত। তার মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে ও তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে। ৮ মামলার আসামী অনিক সেনগুপ্ত। তার মামলাগুলো বিচারাধীন ও তাকে জামিনে দেখানো হয়েছে। চার মামলার আসামী বশির আহমদ প্রকাশ রণি। তার মামলাগুলো বিচারাধীন ও তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে। ২ মামলার আসামী আসিফ প্রকাশ হানিফ। তার মামলাগুলো বিচারাধীন ও তাকে জামিনে দেখানো হয়েছে। ৮ মামলার আসামী নাজিম উদ্দীন প্রকাশ কট নাজিম। তার মামলাগুলো বিচারাধীন ও তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে। চার মামলার আসামী কামরুল হাছান প্রকাশ হাসান। তার মামলা বিচারাধীন ও তাকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

আরো পড়ুন