শনিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২২

সমুদ্র উপকূলবর্তী মৎস্যজীবীদের প্রনোদনা প্রাপ্তিতে কোন বাধা নেই

প্রকাশিত: সোমবার, এপ্রিল ১২, ২০২১

এম রেজাউল করিম চৌধুরী

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী পতেঙ্গা থেকে সীতাকুণ্ড পর্যন্ত সমুদ্র উপকূলবর্তী মৎস্যজীবীদের ৩৮টি জেলে পল্লীর মৎস্য আহরণের সরকারী নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন তাদের ভরণ-পোষণে প্রনোদনা প্রদান ও প্রাপ্য সহায়তা সেবা প্রাপ্তিতে অভয় দেন।

সোমবার দুপুরে সিটি মেয়রের কার্যালয়ে জলদাস সম্প্রদায়ের সংগঠন চট্টগ্রাম উপকূলীয় মৎস্যজীবী জলদাস সমবায় কল্যাণ ফেডারেশনের একটি প্রতিনিধি দল তাদের সমস্যা সমাধানকল্পে স্মারকলিপি প্রদান করতে এলে তিনি এই আশ্বাস প্রদান করেন।

তিনি বলেন, মৎস্য সম্পদ সুরক্ষা ও প্রজনন সম্প্রসারণে নিদিষ্ট একটি সময়ে মৎস্য শিকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ বিধি সম্মত সরকারি পদক্ষেপ। এতে মৎস্যজীবীরা সাময়িক ক্ষতিগ্রস্থ হলেও ভবিষ্যতে মৎস্যভান্ডার সমৃদ্ধ হলে আপনারাই লাভবান হবেন। মেয়র বলেন, মৎস্যজীবীদের এই সাময়িক অসুবিধা কাটাতে সরকার যে সহায়তা প্রদান করছে তার সুফল যাতে প্রত্যেকেই ভোগ করতে পারে সে ক্ষেত্রে একটি সুষম ব্যবস্থাপনা থাকা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

তিনি আরো বলেন, পতেঙ্গা থেকে সীতাকুন্ড পর্যন্ত ৩৮টি জলদাস পল্লীতে সাড়ে তিন লাখ জেলে পরিবার বসবাস করে। তাদের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে যে তথ্যগুলো জানানো হয়েছে তা অবশ্যিই আমলে আনার মতো। মো. রেজাউল করিম আশা করেন যে, কোন ধরণের সংঘাতময় পরিস্থিতি ছাড়াই শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থানের ভিত্তিতে তাদের নিজস্ব পেশার কর্ম সম্পাদন করে যাবেন। মেয়র হিসেবে আমি তাদের পাশে থাকবো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম উপকূলীয় মৎস্যজীবী জলদাস সমবায় কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি লিটন দাশ, সাধারণ সম্পাদক হরি দাশ অন্যান্যদের মধ্যে সমীরণ দাশ ও উপেন্দ্র দাশ প্রমুখ।

আরো পড়ুন