শনিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২২

নায্য অধিকার আদায়ে সকল শ্রমিক সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একসাথে কাজ করতে হবে: তোতন

প্রকাশিত: শনিবার, মে ১, ২০২১

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

শ্রমিকদের ন্যার্য অধিকার আদায় করতে সকল শ্রমিক সংগঠন গুলোকে একসাথ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে শ্রমিকের মৃত্যুতে তাদের পরিবারের জন্য ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি এস কে খোদা তোতন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা দিয়েছে ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনায় মারা গেলে তাদের ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এক্ষেত্রে পোশাক শ্রমিকসহ সব শ্রমজীবী মানুষের ক্ষেত্রেই ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

শনিবার (১ মে) মহান মে দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির সহ-সভাপতি জাফর আহম্মদ এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি এস কে খোদা তোতন। বিশেষ অথিতি ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা কামাল তালুকদার এবং বাংলাদেশ শ্রমিকলীগ চট্টগ্রাম পাহাড়তলী থানার সভাপতি নাছির উদ্দিন ভুলু।

সভায় এস কে খোদা তোতন বলেন, বাংলাদেশের সকল মানুষ এক ভয়ঙ্কর মহামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ অতিক্রম করছে। এই বৈশ্বিক মহামারিতে সবচাইতে বেশি সংকট, দুঃখ, কষ্ট, দুর্দশা, বিপর্যয়, অসহায়, নিরূপায় অবস্থার মধ্যে পতিত হয়েছে খেটেখাওয়া শ্রমজীবী-মেহনতি মানুষ। শ্রমজীবী, কর্মজীবী মানুষরাই করোনা সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যে আয় সংকট, খাদ্য সংকট ও চাকরিহীনতার ঝুঁকির মধ্যে অমানবিক জীবনযাপন করছে। করোনার এই দুর্যোগেও শ্রমিক মেহনতি মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উৎপাদনের চাকা অব্যাহত রেখেছে। অথচ তাদের জীবন ঝুঁকিমুক্ত ও নিরাপদ হয়নি। সরকার ও মালিকপক্ষ শ্রমিকদের দেওয়া ওয়াদা রাখেনি। লকডাউনে ৩/৪ মাইল হেঁটেই তাদের অধিকাংশকে কারখানায় আসতে হয়। তাদেরকে ন্যূনতম ঝুঁকিভাতাও দিচ্ছে না।

আলোচনা সভায় শ্রমিক নেতারা বলেন মে দিবসে আমাদের একটাই দাবি রানা প্লাজা থেকে বাঁশখালী পর্যন্ত যত শ্রমিক হত্যা করা হয়েছে প্রত্যেকটি হত্যাকান্ডের বিচার চাই এবং তাদের পরিবারের আর্থিক ক্ষতিপূরণ চাই। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ জাফর আহম্মদ, মোঃ মুরাদ হোসেন, মোঃ ইমন, মোঃ আব্দুল মালেক, মোঃ টিটু, মোঃ সুমন, ওমর ফারুক, আব্দুর রহমান, শহীদুল ইসলাম, মোঃ ইব্রাহিম প্রমুখ।

আরো পড়ুন