সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩

ডিসেম্বরে রপ্তানি আয়ের রেকর্ড

প্রকাশিত: বুধবার, জানুয়ারী ৪, ২০২৩

নগর প্রতিবেদক :

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে সংকটের মধ্যেও রপ্তানি আয় রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে বেড়েছে প্রবাসী আয়ও। তবে কাঙ্খিত পর্যায়ে এখনো রিজার্ভ ও ডলার সংকট কাটিয়ে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। অর্থনীতিবিদেরা মনে করছেন এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখতে পারলে অচিরেই রিজার্ভ ও ডলারের ওপর চাপ কমে আসবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের এটা খুবই ভালো খবর যে অর্থ দেশের রপ্তানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ আগের চেয়ে বেড়েছে। তবে এখনই এটা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে যাওয়া ঠিক হবে না। কমপক্ষে ছয় মাস এই ধারা অব্যাহত থাকলে ইতিবাচক দিকগুলো আরও স্পষ্ট হবে। আর এখন আমদানি কমিয়ে রিজার্ভের ওপর চাপ কমানোর কৌশল শেষপর্যন্ত নেতিবাচক হতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে ডিসেম্বরে ৫৩৬ কোটি ৫১ লাখ ৯০ হাজার ডলার (প্রতিডলার ১০৭ টাকা হিসাবে) ৫৭ হাজার ৪০৭ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার টাকার পণ্য রপ্তানি হয়েছে, গত বছরের একই মাসের তুলনায় যা ৯.৩৩ শতাংশ বেশি। আর ডিসেম্বরের রপ্তানি আয় তার আগের ১১ মাসের তুলনায় সর্বোচ্চ। এই রপ্তানি আয় বাড়ার পেছনে প্রধান অবদান তৈরি পোশাক খাতের। ডিসেম্বরে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৮.২ শতাংশ। বাংলাদেশে রপ্তানি আয়ের ৮২ শতাংশই আসে এই খাত থেকে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) শেষ হিসাব বলছে, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের (জুলাই-ডিসেম্বর) প্রথম ছয় মাসে মোট দুই হাজার ৭৩১ কোটি ১২ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এটা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৫৮ শতাংশ বেশি।

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে গত ছয় মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৫.৫৬ শতাংশ। ছয় মাসে পোশাক খাত থেকে দুই হাজার ২৯৯ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

এই সময়ে এর বাইরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ শতাংশ। ৪১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পেয়েছে প্ল্যাস্টিক খাত। তবে ফল, পাট ও পাটজাত পণ্য এক কৃষিপণ্য রপ্তানি আয় কমেছে।

আরো পড়ুন