শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২

চমেকে সংঘর্ষ: নওফেল অনুসারীদের নামে নাছির অনুসারীর মামলা

প্রকাশিত: শুক্রবার, এপ্রিল ৩০, ২০২১

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে ঘটনার দুইদিন পর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চমেক ছাত্রলীগের সভাপতি সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসাবে পরিচিত ডা. মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

হাবিবের করা মামলার আসামিরা শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী। আসামী যাদের করা হয়েছে তারা অনেকে চমেকের শিক্ষার্থীও নয়।

যারা আসামী হলেন তাদের মধ্যে চমেক ছাত্রলীগের নওফেল অনুসারী হিসাবে পরিচিত অভিজিৎ দাশ, মুশফিকুর ইসলাম আরাফ, মো. রিয়াজুল ইসলাম, তৌফিকুর রহমান, সৌমিক বড়ুয়া, আতাউল্লাহ বুখারী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফজলে রাব্বি সুজন, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজ, চকবজার ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ইভান, চকবাজার থানা ছাত্রলীগের রবিউল ইসলাম রাজু, ইয়াসিন আওরাজ ভূঁইয়া রওনক প্রকাশ ভূঁইয়া রনক, মোহাম্মদ হানিফ ও জিয়াউদ্দিন আরমান।

উল্লেখিত আসামীরা নগরীর রাজনীতিতে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসাবে পরিচিত।

মামলার বাদী চমেক ছাত্রলীগের সভাপতি ডা.মো.হাবিবুর রহমান জানান, গত ২৭ তারিখ সন্ধার ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭০-৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পাঁচলাইশ থানার মামলা নম্বর ২৩ (২৯.০৪.২০২১)।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সোয়া ৭টার দিকে ‘সিএমসি ক্যাফে’র সামনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চমেক ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে চমেক হাসপাতালে সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন অনুসারীদের একক কর্তৃত্ব চলে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারীরা সেখানে সক্রিয় হয়ে আধিপত্য বিস্তার করার জন্য উঠে পড়ে লাগে। এতে করে কয়েক দফায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয় তারা। একে অপরের বিরুদ্ধে মামলা, অভিযোগসহ নানা অভিযোগ নিয়ে চমেকে ছাত্রলীগের গ্রুপিং রাজনীতি প্রকাশ্যে নিয়ে আসে।

আরো পড়ুন