শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২

চবি ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে -আহত অন্তত ২০

প্রকাশিত: সোমবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২

চবি সংবাদদাতা :

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) সংঘর্ষে জড়িয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক উপ-গ্রুপ সিক্সটি নাইন ও সিএফসি সদস্যদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ২০জন আহত হয়।

সোমবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে শহিদ মিনার চত্ত্বরের সামনে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে তা শাহজালাল হল ও আমানাত হলে ছড়িয়ে পড়ে। দুই হলের মধ্যবর্তী স্থানে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়াপাল্টা-ধাওয়া এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়।

চবি মেডিকেল সেন্টারের তথ্যসূত্রে তারা হলেন,ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের মির্জা সফল প্রধান, ১৫-১৬ সেশন ও উপ বিজ্ঞান সম্পাদক শেখ রাসেল। ইমন, রাজনৈতি বিজ্ঞান (১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) আজহার হোসেন, ইতিহাস বিভাগের (১৯-২০) আরিফ তানভীর, সামিউল হক দীপন (১৮-১৯) সংস্কৃত বিভাগ, আজাদ (১৭-১৮), আরিফুল ইসলাম (১৫-১৬)। সমাজতত্ত্ব বিভাগ, ইখলাস (১৫-১৬) ও সাগর (১৭-১৮ সেশন) অর্থনীতি বিভাগ জুনায়েদ হোসেন ( ১৮-১৯) মার্কেটিং বিভাগ, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের রাকাত (১৯-২০)।

জানা যায়, শহিদ মিনার চত্ত্বরের সামনে দুই কর্মী কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারামারিতে লিপ্ত হয়। এতে মির্জা সফল প্রধান গুরুতর জখম হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শাহ আমানত হলে সিএফসি ও শাহজালাল হলে সিক্সটি নাইনের কর্মীরা অবস্থান নিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। কিছুক্ষণ পরে একটি খাবারের হোটেলে ছাত্রলীগের উপবিজ্ঞান সম্পাদক শেখ রাসেলের উপর আক্রমন করে সিএক্সটি নাইনের কর্মীরা। এতে আহতাবস্থায় রাসেলকে চবি মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা নিয়ে যাওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল ইসলাম ভূইয়া বলেন, ‘পূর্ব ঘটনার জেরে আজ দুপুরে সিক্সটি নাইন এক কর্মীকে সিএফসির কর্মীরা মারধর করলে আবার দুই গ্রুপের মধ্যে ঝামেলা হয়। পরে তা শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে ছড়িয়ে পরে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ‘সিক্সটি নাইন’ গ্রুপ চট্টগ্রাম নগরীর সাবেক মেয়র আ. জ. ম নাছির উদ্দিন অনুসারী এবং ‘সিএফসি’ গ্রুপ উপ-শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেলের অনুসারী বলে কথিত আছে।

আরো পড়ুন