শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২

কারাগারে থাকায় সাধারণ মানুষ ত্রাণ সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে, দাবি ডা. শাহাদাতের

প্রকাশিত: শুক্রবার, মে ২১, ২০২১

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট:

করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকেই আমি ব্যক্তিগত ও দলীয়ভাবে চট্টগ্রামে সাধ্যমতো জনগণের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। প্রতিদিন আমার পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী ও মাস্ক বিতরণ করেছি। কিন্ত বিগত দুই মাস সরকারী ষড়যন্ত্রে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে কারাগারে বন্দি করে রাখায় সাধারণ মানুষগুলো ত্রাণ সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক সদ্যকারামুক্ত ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, করোনার প্রভাবে সরকারী লকডাউনের কারণে চট্টগ্রামে কয়েক লাখ হতদরিদ্র এবং বেকার মানুষ অতিকষ্টে জীবনযাপন করছে। করোনার বিস্তার রোধে সবাই ঘরবন্দি হয়ে থাকায় গরিব মানুষের একটি বড় অংশ কর্মহীন। করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন দরিদ্র মানুষের জন্য সরকার যে পরিমাণ ত্রাণ বিতরণ করছে তা মোটেও পর্যাপ্ত নয়। গত চসিক নির্বাচনে ভোট চুরির বিরুদ্ধে মামলা করায় আমাকে বানোয়াট মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে কারাবন্দি করেছিলো সরকার। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিটি ওয়ার্ড়ে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার বিকালে ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড়ের চকবাজার ধুনিরপুল ফালাহ গাজী জামে মসজিদের সামনে শহীদ জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচীর উদ্ভোধনকালে এসব কথা বলেন।

শাহাদাত আরও বলেন, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধে উঠে এই মুহূর্ত থেকেই আমাদের প্রতিটি নাগরিককে একে অপরের সহায়তায় ভূমিকা রাখা এখন সময়ের দাবি। এখন রাজনীতি করার সময় নয়। এখন মানুষের সহায়তায় হাত বাড়ানোর সময়। আমাদের সময়মত কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়ার মাশুল হিসাবে করোনা দ্বিতীয় ধাপ অতিক্রম করছে। সামনে সর্বোচ্চ সতর্ক না হলে সেটা আর সামাল দেয়া যাবে না। অকল্পনীয় পরিণতি বরণ করতে হবে। তাই জরুরি ভিত্তিতে পর্যাপ্ত করোনার টিকা ও চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সকল সক্ষম মানুষকে নিজের অবস্থান থেকে অপেক্ষাকৃত কম শক্তি সম্পন্ন মানুষের প্রতি সদয় হওয়ার আহ্বান জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাবেক উপদেষ্টা সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন, বর্তমান সভাপতি মো. সেকান্দর, মহানগর বিএনপি নেতা ইব্রাহিম বাচ্চু, এম আই চৌধুরী মামুন, আমিন মাহমুদ, ইদ্রিস আলী, অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, ওয়ার্ড় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী এমরান উদ্দীন, নগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, সহ সভাপতি নাছির উদ্দীন চৌধুরী নাসিম, সি. যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সেলিম উদ্দিন রাসেল, পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড়ের সাবেক কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম ডিউক, বিএনপি নেতা হাফিজুল ইসলাম মিলন, মো. আলাউদ্দিন, হাজী আবদুল কাদের, ইসমাইল শরীফ, রোকন উদ্দৌলাহ, শ্রমিকদলের গুলজার হোসেন লেদু, নগর যুবদল নেতা জিল্লুর রহমান জুয়েল, জাফর আহমেদ খোকন, আসাদুর রহমান টিপু, আব্দুল্লাহ আল মামুন জিতু, কামাল উদ্দিন, জিয়াউল হক মিন্টু, শেখ কামাল আলম, সাব্বির ইসলাম ফারুক, আবদুল জলিল, নগর ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি আলিফ উদ্দিন রুবেল, সালাউদ্দিন সাহেদ, গাজী শওকত, সামিয়াত আমিন জিসান, যুবদল নেতা মোহাম্মদ সেলিম, ইসমাইল হোসেন লেদু, জাবেদুল হক, সাদ্দামুল হক, মো. বাবুল, মো. রহিম মিনু, রিদওয়ানুল হক রিদু, মো. ফোরকান, মো. জাহেদ, মো. রায়হান, মো. নাসিম, হৃদয় দাস, মো. মাসুদ, মো. সাঈদ, মো. মোবিন, আবুল হোসেন, ছাত্রদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম, মো. রাসেল প্রমূখ।

আরো পড়ুন