সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২

“আধুনিক চট্টগ্রাম নির্মাণে টেকসই উন্নয়ন চাই” বললেন মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী

প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৯, ২০২১

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

নগরীকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত আর্ন্তজাতিক মানের নাগরিক বান্ধব ও মানবিক নগরীতে রূপান্তরে নিজস্ব জায়গায় পর্যায়ক্রমে আয়বর্দ্ধক জনকল্যাণমুখী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এভাবেই স্বনির্ভরতা ও সক্ষমতা বাড়িয়ে নাগরিক সেবার পরিধি সম্প্রসারিত করা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন স্থানে চসিকের নিজস্ব জায়গায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।

তিনি এফআইডিসি রোডে সাড়ে ১১ একর জায়গায় বাস্তবায়নাধীন শেখ কামাল আইসিটি পার্ক প্রকল্প পরিদর্শনকালে বলেন, এখান থেকে তথ্য প্রযুক্তি ও প্রকৌশলগত সুশিক্ষিত মানব সম্পদ গড়ে তোলার অবারিত সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখানে আইসিটি খাতে যারা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী তাদেরকে আমি স্বাগত জানাই। তাদের বিনিয়োগ যাতে ফলদায়ক হতে পারে, সে জন্য বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সহায়তাসহ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সুরক্ষায় একটি নীতিমালা থাকবে। এই নীতিমালার ভিত্তিতে পার্কে বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বিনিয়োগকারীদের চাহিদা ও পরিবেশ উপযোগীতার দিকে খেয়াল রেখেই পার্কটির স্থাপনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসাধনকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

পরে তিনি পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের অস্থায়ী কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, চাইল্ল্যাতলীতে চসিকের নিজস্ব ১০ শতক জায়গা রয়েছে। এখানে আপাতত দ্বিতল ভবন তৈরী করা হবে, পর্যায়ক্রমে পাঁচ তলায় উন্নীত হবে। এখানে ওয়ার্ডের স্থায়ী কার্যালয় ছাড়া কমিউনিটি সেন্টার ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

এছাড়া তিনি বাকলিয়া চসিক স্টেডিয়ামের স্থান পরিদর্শনকালে বলেন, এখানে আমাদের জায়গার পরিমাণ সাড়ে ৫ একর। কিছু জায়গা বেদখল হয়ে আছে। এগুলো উদ্ধার করে চারিদিকে সীমানা দিয়ে ভূমি উন্নয়ন করে একটি অত্যাধুনিক বহুমুখী স্টেডিয়াম বানানো হবে। এখানে আয়বর্দ্ধক ছোট-বড় প্রকল্প গড়ে তোলা হবে। মেয়র বক্সিরহাট বাজারও পরিদর্শন করেন। তিন বলেন, বাজারটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী। এটাকে বি.এম.ডি.এফ’র অর্থায়নে বহুতল বিশিষ্ট কিচেন মার্কেট রূপান্তর করা হবে। এতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বড় আয়ের উৎস তৈরী হবে।

মেয়র বলেন, আমি তাড়াহুড়ো বা যেনতেনভাবে লোক দেখানো উন্নয়ন চাই না। আমি পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়ন চাই। যার উপযোগীতা, গ্রহনযোগ্যতা ও কার্যকারিতা হবে দীর্ঘস্থায়ী এবং এর প্রভাব হবে সুদূর প্রসারী।

প্রকল্পস্থানসমূহ পরিদর্শনকালে মেয়রের সাথে ছিলেন প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দীন, কাউন্সিলর আলহাজ্ব মো. শফিকুল ইসলাম, হাজী নুরুল হক সওদাগর, সচিব (অ.দা) ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী জিসু, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, এস্টেট অফিসার মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, শাহীন-উল-ইসলাম, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী প্রমুখ।

আরো পড়ুন