বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

আত্মসমর্পণকারী ১০১ মাদককারবারীকে ১৮ মাসের কারাদণ্ড,অস্ত্র মামলায় খালাস

প্রকাশিত: বুধবার, নভেম্বর ২৩, ২০২২

জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার :


কক্সবাজারের টেকনাফে ইয়াবা কারবারি হিসেবে আত্মসমর্পণ করা ১০১ জনের প্রত্যেককে ১৮ মাস কারে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়।
তবে ইয়াবা মামলায় শাস্তি দেওয়া হলেও অস্ত্র মামলায় বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে তাদের।

জেলা দায়রা জজ মো: ইসমাইল হোসেন এর আদালতে এ রায় দেয়া হয়

এজলাস থেকে বেরিয়ে আসামী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, আত্মসমর্পনটি ছিলো তৎকালীন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপের পদক পাওয়ার লোভে সাজানো নাটক। আত্মসমর্পনের জন্য ১০২ জনকে আগে থেকেই পুলিশ লাইনে এনে ভয়ভীতি দেখিয়ে বন্দী রাখা হয়।

তিনি আরো বলেন, প্রমাণ না হওয়া স্বত্বেও সমাজে যেনো ভুল বার্তা না ছড়ায়, তাই আদালত আসামীদের নামমাত্র শাস্তি দিয়েছে জানিয়ে জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী আরো বলেন, তারা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবেন কিনা সেই বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেবেন।

এদিকে রায়ে সন্তুষ্ট জানিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদুল আলম জানান, ইয়াবা কারবারিদের বিরুদ্ধে এই রায়ের মাধ্যমে মাদক নির্মূলে সমাজে একটি বার্তা যাবে।

গেলো ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারী টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে ৩ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা এবং ৩০ টি দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন ১০২ জন ইয়াবা কারবারি৷ এই ঘটনায় অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করে পুলিশ। পরে মামলার বিচারকার্য চলাকালীন সময়ে একজন আসামী মারা যান।

এদিকে আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে ছিলো সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদী আপন ৪ ভাই (আব্দুল আমিন, আব্দুর শুক্কুর, শফিকুল ইসলাম, ফয়সাল রহমান); ভাগিনা সাহেদ রহমান নিপু; চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আলম। আরও আছেন- টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিহাদ ও তার বড় ভাই আব্দুর রহমান; বর্তমান জেলা পরিষদ সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমেদের ছেলে দিদার মিয়া; টেকনাফ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল বশর নুরশাদ; টেকনাফ সদর ইউনিয়নের এনামুল হক এনাম মেম্বারসহ অনেকে।

আরো পড়ুন