শনিবার, ২৮ মে ২০২২

আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে, অভিযোগ বিএনপি নেতা বক্করের

প্রকাশিত: শুক্রবার, মে ১৩, ২০২২

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট::

বিগত কয়েকদিনে সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের থেকে শুরু করে অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে একটা সন্ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর।

দাউদকান্দিতে স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ওপর হামলা ও তাঁর বাসভবনে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আক্রমণ এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কুমিল্লার চান্দিনায় এলডিপি মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদের গাড়িতে হামলা ও তাঁকে গ্রেপ্তার, ফেনীতে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়নাল আবেদীনের ওপর হামলা, পটুয়াখালীর সদস্য সচিবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়াসহ সাতক্ষীরা, নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালীর নেতাদের ওপর হামলা করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বলে জানান তিনি।

এই কাপুরুষিত হামলার প্রতিবাদে শনিবার চট্টগ্রামে কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশ সফল করার আহবান জানান তিনি।

শুক্রবার বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত আগামী শনিবার চট্টগ্রামের বিক্ষোভ সমাবেশ সফল করার লক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বর্তমান অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করবে না। এর ভেতরে কোনো ফাঁকফোকর কিছু নেই। এই সরকারকে যেতেই হবে, নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। এরপর নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, শ্রীলঙ্কার রাজাপক্ষের সরকারের চেয়েও আওয়ামী লীগের খারাপ অবস্থা হবে। শ্রীলঙ্কায় তো সব নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, আর এরা বঙ্গোপসাগরে ঝাঁপিয়ে পড়বে।

ইভিএম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন জবাব দিয়ে দিয়েছে। আমাদের কিছু বলার আছে বলে মনে হয় না। এই সরকার নির্বাচনকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে এটা প্রমাণিত হয়েছে। তা না হলে প্রধানমন্ত্রী কিভাবে বলেন তিন শ আসনে ইভিমে নির্বাচন হবে? এর দায়িত্ব তো সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মো. শাহ আলমের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সি. যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক মো. মিয়া ভোলা, নাজিমুর রহমান, কাজী বেলাল উদ্দিন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, আহবায়ক কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, মো. কামরুল ইসলাম, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহেদ, বিএনপি নেতা শেখ নুরুল্লাহ বাহার, মনোয়ারা বেগম মনি, গাজী আইয়ুব আলী, ডা. এস এম সারোয়ার আলম, এম আই চৌধুরী মামুন, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, আবদুল কাদের জসিম, নুর হোসাইন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, বিএনপি নেতা আবদুল বাতেন, ইদ্রিস আলী, নগর যুবদলের সি. সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, কৃষক দলের সদস্য সচিব কামাল পাশা নিজামী, তাতীদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মুরাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সি. যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আকতার খান, মো. ইলিয়াছ, জানে আলম জিকু, ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ, হাসান ওসমান চৌধুরী, হাজী আবু ফয়েজ, মন্জুর কাদের, জিয়াউর রহমান জিয়া, হাজী মো. জাহেদ প্রমুখ।

আরো পড়ুন